উৎপাদনশীল গাভীর বৈশিষ্ঠ্যঃ
বাংলাদেশের কিছু কিছু অঞ্চলে বিশেষ উৎপাদনশীল গাভী পরিলক্ষিত হয় । যেমনঃ চট্টগ্রামের লাল গরু , পাবনা জেলার গরু ও ফরিদপুর জেলার গরু ।
মাথাঃ
মাথা হালকা ও ছােট আকারের হবে । কপাল প্রশস্ত , চোখ উজ্জ্বল হবে । অধিক খাদ্য গ্রহণে আগ্রহী হবে ।
দৈহিক আকারঃ
দেহের সামনের দিক হালকা , পিছনের দিক ভারী ও সুগঠিত হবে , অন্যান্য অঙ্গ - প্রত্যঙ্গ সামঞ্জস্যপূর্ণ ও সুসংগঠিত হবে । দৈহিক আকার আকর্ষণীয় হবে ।শরীরের গঠণ ঢিলা হবে ।
পাঁজরঃ
পাঁজরের হাড় সুস্পষ্ট অনুভব করা যাবে । হাড়ের গঠন সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে ।
চামড়াঃ
চামড়া পাতলা হবে । চামড়ার নীচে চর্বির বাহুল্য থাকবে না । লােম মসৃন ও চকচকে হবে ।
ওলানঃ
গাভীর ক্ষেত্রে ওলান বড় ও সুগঠিত হবে ও দেহের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে । পিছনের দুই পায়ের মধ্যবর্তী স্থান প্রশস্ত হবে । বাটগুলি একই আকারের হবে ।৪ টি বাট সমান দূরত্বে ও সমান্তরাল হবে ।
দুগ্ধশিরাঃ
দুগ্ধ শিরা মােটা ও স্পষ্ট হবে । তলপেটে নাভীর
পাশ দিয়ে দুগ্ধশিরা আঁকাবাঁকাভাবে বিস্তৃত থাকবে।


0 Comments